• ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CPM

কলকাতা

দল ছাড়ছেন দীপ্সিতা? সদস্যপদ নবীকরণ ঘিরে তীব্র জল্পনা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বাম রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তরুণ নেত্রী দীপ্সিতা ধর তাঁর দলীয় সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ এখনও না করায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন দলের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে অসন্তোষ থেকেই এই দূরত্ব, আবার কেউ বলছেন বিষয়টি সম্পূর্ণই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার অংশ। যদিও দীপ্সিতা নিজে সমস্ত জল্পনাকে রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন সদস্যপদ নবীকরণের জন্য মার্চ মাস পর্যন্ত সময় রয়েছে।দলীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণ করা যায়। সাধারণত এই সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ সদস্য প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করেন। আবেদন প্রথমে জেলা স্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় এবং ধাপে ধাপে তা সম্পন্ন হয়। তবে দলীয় সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারির অনেকটা সময় পেরিয়ে গেলেও দীপ্সিতার নবীকরণ হয়নি। এদিকে নির্বাচনের সম্ভাব্য ঘোষণা সামনে থাকায় আপাতত সংগঠনের কাজের গতি কিছুটা থমকে রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে তিনি আদৌ সদস্যপদ চালিয়ে যেতে চান কি না।দীপ্সিতা জানিয়েছেন, তিনি পড়াশোনার সময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় এ থাকাকালীন দলের সদস্য হন এবং সেই সূত্রে তাঁর সদস্যপদ নবীকরণ দিল্লিতেই হওয়ার কথা। তাই রাজ্যে নবীকরণ না হওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সময় শেষ হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে অযথা জল্পনা ছড়ানো হচ্ছে। তবে মার্চের মধ্যে নতুন করে ফর্মে সই করবেন কি না সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি প্রতীক উর রহমান এর পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, দলের সমালোচনা মানেই দলবিরোধী অবস্থান নয়। এতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ইদানিং দলীয় কর্মসূচিতে দীপ্সিতাকে তেমন সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। এমনকি বিতর্কসভা ও মিছিলেও তাঁর উপস্থিতি কমেছে। ২০২৪ সালে শ্রীরামপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে পরাজয়ের পর কিছুদিন সক্রিয় থাকলেও বর্তমানে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।অন্যদিকে একই প্রজন্মের নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি করে চলেছেন। দীপ্সিতার এলাকাতেও তাঁর সক্রিয়তা চোখে পড়ছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভবিষ্যতে কি নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন দীপ্সিতা? নাকি সবটাই সাময়িক দূরত্ব? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মুখে সিপিএমে বড় ভাঙন! রাজ্য কমিটি ছাড়লেন প্রতীক-উর-রহমান

ভোটের মুখে সিপিএমে বড়সড় ধাক্কা। দলের রাজ্য কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন প্রতীক-উর-রহমান। শুধু তাই নয়, প্রাথমিক সদস্যপদও ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। নিজের পদত্যাগপত্র দলকে পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন এসএফআই রাজ্য সভাপতি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।পদত্যাগপত্রে প্রতীক-উর জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কিছু সিদ্ধান্ত ও কাজের ধরন তাঁর সঙ্গে মিলছে না। সেই কারণে তিনি মানসিক অস্বস্তিতে ভুগছিলেন। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়াই ঠিক বলে মনে করেছেন তিনি। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে তাঁর কোনও বিরোধ নেই।এই ঘটনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি রাজনৈতিক পর্ব। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নিজের নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি গড়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন, নিজের দল নিয়ে ভোটে লড়বেন এবং তৃণমূল ছাড়া অন্য সব বিরোধী দলকে জোটের আহ্বান জানিয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে সিপিএমকেও প্রস্তাব পাঠানো হয়।এরপর নিউটাউনে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম-এর সঙ্গে বৈঠক করেন হুমায়ুন। এই বৈঠক ঘিরেই দলের অন্দরে মতবিরোধ তৈরি হয় বলে জানা যায়। দলের একাংশ এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে। যদিও তখন তরুণ নেতা শতরূপ এই বৈঠকের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সিপিএম এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। অন্য দল হুমায়ুনকে প্রার্থী করলে বা মন্ত্রী করলে আপত্তি না থাকলেও, সিপিএম কথা বললেই কেন সমস্যা হবে সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।শতরূপের ওই মন্তব্যের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন প্রতীক-উর। সেখানে তিনি লেখেন, নীতি ও নৈতিকতা ছাড়া কমিউনিস্ট পার্টি হতে পারে না। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি, কিন্তু দলের অন্দরে জল্পনা শুরু হয় যে এই মন্তব্য আসলে শতরূপকেই উদ্দেশ্য করে।এরপর রবিবার দলকে পাঠানো চিঠিতে প্রতীক-উর স্পষ্ট ভাষায় জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না। তাই সমস্ত দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।প্রতীক-উরের পদত্যাগের পর রাজনৈতিক মহলেও চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সিপিএমকে কটাক্ষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, সিপিএমের নেতৃত্বের একাংশ ও ফেসবুক নির্ভর রাজনীতির জেরে দলের প্রথম সারির যুবনেতাদের এই পরিণতি হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।ভোটের আগে সিপিএমের এই পদত্যাগ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে এখন জোর চর্চা। প্রতীক-উরের এই পদক্ষেপ কি শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি বড় কোনও ভাঙনের ইঙ্গিত সেই প্রশ্নই এখন ঘুরছে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
রাজ্য

সেলিমের নেতৃত্বেই জোট! না হলে একাই ১৮২ আসনে লড়বেন হুমায়ুন

সিপিএম, আইএসএফ ও মিমের সঙ্গে জোট হবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন নতুন করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন। তিনি জানিয়েছেন, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই জোট চূড়ান্ত হয়ে যাবে।হুমায়ুন বলেন, জোট হলে তিনি ১৩৫ আসনের নিচে নামবেন না। আর যদি জোট হয়, তবে সেই জোটের নেতৃত্ব তিনি শুধু সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের হাতেই মানবেন। অন্য কাউকে নেতা হিসেবে মেনে নেবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।কয়েক দিন আগে নিউটাউনে একটি বৈঠক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন সেলিম। তখন তিনি বলেছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হলে মন্দির-মসজিদের রাজনীতি করা চলবে না। সেই প্রসঙ্গেই হুমায়ুন বলেন, শূন্যের সঙ্গে শূন্য যোগ করলে শূন্যই হয়। সেই শূন্যের একটা কেটে গেছে। আর একটা শূন্য আমাদের সঙ্গে থাকতে আগ্রহ দেখিয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিম, আইএসএফ ও সিপিএমের মধ্যে কার সঙ্গে জোট হবে, তা মানুষ জানতে পারবেন।কত আসনে লড়তে চান, সেই প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন বলেন, জোট হলে আসন ভাগাভাগির কারণে তাঁদের আসন সংখ্যা কমে যাবে। তবে তা যতই কমুক, তিনি ১৩৫ আসনের নিচে নামবেন না। আর জোট না হলে তিনি একাই ১৮২ আসনে লড়বেন বলে দাবি করেছেন।তাঁর কথায়, প্রধান লক্ষ্য তৃণমূলকে পরাজিত করা এবং বিজেপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছাতে না দেওয়া। সে ক্ষেত্রে জোটের নেতৃত্ব যদি সেলিম দেন, তবে তিনি তা মেনে নেবেন।এদিকে এই মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। দলের নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, ভোটের আগে অনেকেই ফাঁকা আওয়াজ দেন। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা দেখার অপেক্ষা।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৬
রাজনীতি

জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চের উদ্বোধনে কারাট, হাজির বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্পী

নিউটাউনে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর স্মরণে নির্মীয়মান জ্যোতি বসু সেন্টার ফর সোশ্যাল স্টাডিজ এন্ড রিসার্চ এর প্রথম পর্যায়ে ভবনের আজ উদ্বোধন হয়েছে। উদ্বোধন করেন সিপিআইএম এর পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রকাশ কারাট। উপস্থিত ছিলেন বামফ্রণ্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিআইএম-এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, কেন্দ্রীয় কমিটি ও পলিটবুরো সদস্যরা, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা প্রমুখ। রকাশ কারাট বলেন,জ্যোতি বসু দেশের কমিউনিস্ট আন্দলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বর্তমানে দেশে যেখানে উগ্র হিন্দুত্ব ও সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে সেখানে এই প্রতিষ্ঠান তথ্য সমৃ ধ গবেষণার মাধ্যমে সমাজের প্রকৃত আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক চিত্র তুলে ধরবে। সিপিআইএম এর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য কোনো সরকারই কোনওবিষয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশ করছে না। সেই কারণে গবেষণার প্রয়োজন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বাধীন ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দেশকে আরো সুদৃঢ় করতে এই প্রতিষ্ঠানের বড় ভূমিকা থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। দো তোলা ভবনের নিচতলায় জ্যোতি বসুর সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন নথি নিয়ে গ্যালারি ও দোতলায় একটি লাইব্রেরি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
রাজনীতি

প্রয়াত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, কাল দেহ শায়িত থাকবে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিআই(এম) রাজ্য দপ্তরে

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যে প্রয়াত। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। ২০০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১১ বছর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব। বৃহস্পতিবার সকালে বুদ্ধদেবের মৃত্যুর খবর জানান তাঁর সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। জানা গিয়েছে, সকালেও বুদ্ধদেববাবু প্রাতঃরাশ করেছিলেন। তার পরেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সকাল ৮টা ২০ মিনিটে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতেই তিনি প্রয়াত হন। এখন তাঁর মরদেহ তাঁর পাম অ্যাভিনিউয়েত বাসস্থানেই থাকবে। তাঁর শেষ ইচ্ছানুযায়ী চক্ষুদানের ব্যবস্থা হয়েছে।দুপুর ১২:৩০ টার সময়ে পিস ওয়ার্ল্ডে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। আগামীকাল সকাল ১০:৩০ থেকে ৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট, সিপিআই(এম) রাজ্য দপ্তর মুজফফর আহমদ ভবনে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য শায়িত থাকবে তাঁর মরদেহ। এরপর সেখান থেকেই বিকেল ৪টে নাগাদ কমঃ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মরদেহ নিয়ে শোক মিছিল করে।নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজে মরণোত্তর দেহদান করা হবে।দীর্ঘ বছর ধরেই গুরুতর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা (সিওপিডি)-তে ভুগছিলেন বুদ্ধদেব। অসুস্থতার কারণে বিগত কয়েক বছর কার্যত গৃহবন্দিই ছিলেন পাম অ্যাভিনউর ছোট্ট ফ্ল্যাটে। আগেও একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় তাঁকে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বুদ্ধদেব। সেই সময়েও কয়েক দিন ভেন্টিলেশনে রাখতে হয় তাঁকে। সেখান থেকে বিপন্মুক্ত হয়ে বাড়ি ফেরেন। গত বছর ৯ অগাস্ট হাসপাতাল থেকে বিপন্মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন বুদ্ধদেব। ২০২১-এ কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ভাইপো ছিলেন বুদ্ধদেববাবু।

আগস্ট ০৮, ২০২৪
সম্পাদকীয়

এবার বঙ্গে নানা রঙ

দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে লোকসভা নির্বাচন। এবার লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক চালচিত্রে অনেক রঙ। শুরুতে নির্বাচনী লড়াই তৃনমূল - বিজেপি এই binary তে ঘুরপাক খেলেও নির্বাচনের মুখে এসে তা কিছুটা ফিকে হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের সংবাদ মাধ্যমে ভেসে ওঠা খবরের নীচে তাকালে এই ছবিটি ধরা পড়বে। সাম্প্রতিক পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে প্রভাবের দিক থেকে পরিসরে ছোট হলেও নতুন শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে পেরেছে আই এস এফ। তবে, লোকসভা নির্বাচনের মতো বড় মাঠে তারা কতটা নজর কাড়তে পারবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।যদি তারা রাজ্যের ৪২ টি আসনের মধ্যে কিছু আসনে সংখ্যালঘু ভোট নিজেদের দিকে কিছুটা টানতে পারে তাহলে তৃণমূলের কপালে দুঃখ আছে। রাজ্যের প্রায় ১২০ টি বিধানসভায় ২০ শতাংশের বেশি সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে। ২০০৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে এই ভোট বামপন্থীদের দিক থেকে মুখ ফেরাতে শুরু করে। ২০১১ র বিধানসভা নির্বাচন থেকে এখনো পর্যন্ত রাজ্যে যে নির্বাচন গুলি হয়েছে তাতে দেখা গিয়েছে সংখ্যালঘু ভোটের প্রায় পুরোটাই কংগ্রেস ও বামেদের থেকে তৃণমূল কংগ্রেস কেই ইভিএম কে বেছে নিয়েছে। ফলে এই ভোটে ফাটল ধরলে তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক আসনই প্রশ্ন চিহ্নের মুখে পড়বে।বামপন্থীরা ও এবার দাবি করেছে তাদের স্বাভাবিক মিত্র সংখ্যালঘু ভোটের একটি অংশ তাদের ঝোলায় ফিরবে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি দুহাত উপুড় করে ভোট দিয়েছেন রাজ্যের মহিলারা। ২০১৯-র লোকসভা ভোটে কিছুটা কোনঠাসা হয়ে পড়লেও ২০২১-র বিধানসভা নির্বাচনে এই দুই ক্ষেত্রেই ভোটাররাই তৃণমূল সুপ্রিমোকে বিশাল জয় এনে দিয়েছেন।রাজ্যের মহিলা ভোটারদের সন্তুষ্ট রাখতেই লক্ষ্মীভান্ডার ও কন্যাশ্রীর মত প্রকল্প তৃণমূল সরকারের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। সম্প্রতি, সন্দেশখালির ঘটনায় বিরোধীরা তাই সরকারি এই লোহার ঘরে আঘাত হানাই পাখির চোখ করেছে। রাজ্য বিজেপির ছোট বড় মাঝারি নেতারা পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা নিরাপদ নয় এই প্রচারে যে জোর দিয়েছেন তা সর্বভারতীয় স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রদেশ কংগ্রেস, বামপন্থীরা এবং আই এস এফ ও, এই তিরে তৃণমূল কে বিদ্ধ করা যাবে বলে মনে করছে। গত কয়েক বছর ধরে National Crime Record Bureau র রিপোর্টে মহিলাদের জন্য কলকাতাকে সবচেয়ে নিরাপদ শহর বলা হয়েছে। বিজেপি কে বিঁধতে গেরুয়া শাসিত রাজ্যের তুলনায় এই পরিচিতি কে তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্দেশখালির ঘটনা তাই স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূল শিবিরের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।এর পাশাপাশি বিরোধীরা সন্দেশখালির সঙ্গে নন্দীগ্ৰামের ঘটনার মিল রয়েছে বলে প্রচার শুরু করেছেন। তবে এই প্রচারে তৃণমূলের অবশ্য বিশেষ উদ্বেগ নেই। তাঁর কারণ হলো নন্দীগ্রাম এবং সিঙ্গুরে যে জন-অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল তা ছিল সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। সন্দেশখালিতে অসন্তোষ কোনো সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নয়, সেখানে মহিলারা পথে নেমেছেন তৃণমূলের স্থানীয় বাহুবলী নেতাদের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই কৌশল করে, জোর করে নেওয়া জমি ফিরে পেতে তাঁরা ভূমি রাজস্ব দপ্তরে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। পাশাপাশি, যে তৃণমূল নেতারা সেখানে রাজত্ব চালিয়েছেন তাদের আশ্রয় দাতা হিসেবে পুলিশ কে তুলোধুনা করলেও পুলিশের কাছে তারা অভিযোগ নথিভুক্ত করেছেন। একই সঙ্গে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও প্রশাসনের দারস্থ হওয়ার মধ্যে সরকার বিরোধিতা কতটা রয়েছে তা আগামী দিনে ইভিএম-ই বলতে পারবে। তবে এখনো পর্যন্ত সন্দেশখালির রেশ রাজ্যের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া যায়নি। এই পরিস্থিতিতে যা তৃণমূলকে কিছুটা স্বস্তিতে রেখেছে। সন্দেশখালিতে মোট ১৮টি গ্ৰাম পঞ্চায়েত রয়েছে। এখনো পর্যন্ত দুটি গ্ৰাম পঞ্চায়েতে প্রতিবাদ বা প্রতিরোধের ছবি দেখা গিয়েছে। তবে তৃণমূল কে অস্বস্তিতে ফেলতে বিজেপি ধারাবাহিক ভাবে সন্দেশখালিকে প্রচারের আলোয় রেখেছে। এক সপ্তাহের মধ্যে দুবার পশ্চিমবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সন্দেশখালি নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন। এই রাজ্যে মহিলারা তৃণমূলের বাহুবলীদের দ্বারা নির্যাতিত হচ্ছেন এই প্রচারই তাঁর বক্তব্যের সিংহভাগ জুড়ে থেকেছে। নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৩.৭৩ কোটি। গত লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৭টিতে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা বেশি ভোট দিয়েছেন। এই কেন্দ্রগুলির মধ্যে আটটিতে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এই তথ্য থেকেই বোঝা যায় পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলির কাছে মহিলা ভোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এবারে লোকসভা নির্বাচনের মুখে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিচারপতি পদে ইস্তফা দিয়ে বিজেপি তে যোগ দান। অতীতে সুপ্রিম কোর্টের অথবা হাইকোর্টের বিচারপতি পদ ছেড়ে দিয়ে রাজনীতিতে এসে ভোটে দাঁড়ানোর নজির থাকলেও এই রাজ্যে সেই নজির নেই। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই রাজ্য রাজনীতিতে নতুন রঙ লেগেছে। তাঁর পক্ষে বিপক্ষে মত প্রকাশ শুরু হয়েছে।সাম্প্রতিক কালে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির মামলায় তাঁর বিচার তাঁকে তুমূল জনপ্রিয়তা দিয়েছে। অনেকেই তাকে প্রকাশ্যে ঈশ্বরের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর এজলাসে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় থাকা অনেক বিচারপ্রার্থী তাঁর এই সিদ্ধান্তে হতাশ হলেও বিরূপ হননি। এই অবস্থায় আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে বিজেপি যদি প্রার্থী করে তাহলে ভোটযুদ্ধে তাঁর এই জনপ্রিয়তা কতটা ইভিএমে ধরা পড়বে তা দেখার অপেক্ষায় থাকা ছাড়া এই মুহূর্তে অন্য কোনো পথ নেই।

মার্চ ০৮, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে আটকাতেই পুলিশ নিয়ে সন্দেহ সিপিএমের মিনাক্ষীর! কেন?

ঘুরপথে সন্দেশখালিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিল তাঁর দলবল। তবে, শেষরক্ষা হয়নি। সন্দেশখালির ভিতরের গ্রামে আর ঢুকতে দেওয়া হয়নি বাম সংগঠনের কর্মীদের। পুলিশ তাদের আটকে দেয়। উর্দিধারীরা মিনাক্ষীদের জানিয়ে দেন, ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সন্দেশখালির মধ্যে তাঁরা যেতে পারবেন না। যা শুনেই পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়ান এই বাম নেত্রী। মীনাক্ষী পুলিশকে প্রশ্ন করতে থাকেন, কেন যাব না? আমরা কি তাহলে চলে যাব? থানায় যাব কি? কী করব.. আরে বলুন কিছু। জবাব দেয়নি পুলিশ। এরপরই তাঁর পথ আটকে রাখা বেশ কয়েকজনকে দেখে সন্দেশ প্রকাশ করেন ডিওয়াইএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক।আগেই সন্দেশখালির মহিলাদের একাংশ দাবি করেছেন, রাত্রিবেলা পুলিশের পোশাকে এসে তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। মিনাক্ষীর প্রশ্নে এই সেই সন্দেহ যেন ফের চাগিয়ে উঠল।একসময় একদিকে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, তাঁর ঠিক উল্টোদিকে পুলিশ ব়্যাফ। চলছে প্রবল বাদানুবাদ। তার মাঝেই হঠাৎ মিনাক্ষী বলে ওঠেন, তোমার নাম কী গো? তোমাদের নেমপ্লেট কোথায়? তারপরই বলে ওঠেন, ছবি তোল, পুলিশের পোশাকে তৃণমূল কর্মীরা এসেছে। মুখ ঢাকা কেন? এরা পুলিশ তো? তাঁর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো পুলিশ কর্মীদের দেখে মিনাক্ষী বলেন, এদের নখ বড় কেন? নেলপলিশ পরে আছে পুলিশ কর্মী! এরা কেউ পুলিশের লোক নাকি। এদের নখ দেখলেই বোঝা যাচ্ছে এরা পুলিশের কর্মী নয়। সব তৃণমূল কর্মী।পরে মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ কী চাইছে সেটা ওদের জিজ্ঞেস করে দেখা হোক। ১৪৪ ধারা যদি থাকেও তাহলে ১৪৪-এ একজন যেতে পারে তো? পুলিশ যেভাবে বলবেন সেভাবে যাব। মানুষের সঙ্গে কথা বলতে তো বাধা নেই। আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ আছে। মানুষ জমি ফেরত চায়, শেখ শাহজাহানদের শাস্তি চায়। পুলিশ, মানুষ, বিডিওর সঙ্গে কথা বলতে চাই। এভাবে বেআইনিভাবে আটকাতে পারে না পুলিশ। এটাই হচ্ছে এই রাজ্যের পুলিশের চরিত্র।বাম নেত্রীর হুঙ্কার, যদি চাষের জমি থেকে থাকে তাহলে তা কীভাবে ভেড়ি হয়ে গেল? আমাদের কাছে লিখিত সব রয়েছে। বেআইনি কাজ করছে। এই বেআইনি কাজের জন্য ওনার (পুলিশ আধিকারিক) বিরুদ্ধেই অভিযোগ করব। মহিলা কমিশনে ওনার বিরুদ্ধে কমপ্লেন করব, তারপর ওনার বিরুদ্ধে মামলা ঠুকব। তারপরে উনি কোন বাড়িতে থাকেন, কোন থানাতে থাকেন, সেই থানাতেও কর্মসূচি হবেএরাই রাতের অন্ধকারে, যারা কমপ্লেন করছে, তাদের বাড়ি ঘরদোর এরা ভাঙছে। যারাই অভিযোগ করছে, তাদের ফোন করে হুমকি দিচ্ছে। যারাই সাহস করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে, পুলিশের বিরুদ্ধে কথা বলছে তাদেরকেই এরা ভয় দেখাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

মমতার নিশানায় সিপিএম, বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট কি বড় সমস্যায়?

মোদীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন, কিন্তু একইসঙ্গে পার্কসার্কাসের সভায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে চরম আক্ষেপের সুর। তৃণমূল বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শরিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই জোটের অন্যতম শীর্ষ নেত্রী। সেই মমতার মুখেই ভয়ঙ্কার অভিযোগ শোনা গেল ইন্ডিয়া জোটের আরেক শরিকের বিরুদ্ধে! ফলে প্রশ্নের মুখে বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ। তৃণমূল নেত্রী বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপি তাঁর মূল শত্রু হলেও পুরনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দৃষ্ঠিভঙ্গি লঘু করতে নারাজ তিনি।সংহতি যাত্রা শেষে সোমবার গেরুয়া শিবিরকে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গেই টেনে আনেন বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের কথা। যা বলতেই গিয়েই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদের সঙ্গে আমরা জীবনের ৩৪ বছর ধরে লড়াই করেছি, তাদের কোনও পরামর্শ আমরা শুনব না। আমাদের অনেক অসম্মান করা হয়। কিন্তু তাও, আমরা বলেছিলাম, যে আঞ্চলিক দল যেখানে শক্তিশালী, সেই জায়গাটা তাঁদের উপর ছেড়ে দেওয়া হোক।সেই সঙ্গেই নাম না করে কংগ্রেসের উদ্দেশে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ৩০০ আসনে আপনারা এককভাবে লড়ুন, আমরা সাহায্য করে দেব। আমরা তোমাদের কোনও আসনে লড়ব না। এরপরই তুলে ধরেন নিজের আক্ষেপের কথা। মমতার কথায়, ইন্ডিয়ার নাম আমরা দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এটা বলতে খুব দুঃখ হচ্ছে, আমরা যখন বৈঠকে যাই, দেখি সিপিএম বৈঠককে কন্ট্রোল করে। ওরা বলছে, যা মর্জি করব।ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কতা, একটা কথা মাথায় রাখুন, বিজেপিকে সাহায্য করবেন না। আল্লা কসম আপনারা ক্ষমা করবেন না, আমিও করব না।নাম না করলে এদিন রাহুল গান্ধীকেও একহাত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, আমাদের সাহস আছে। আজ তো আমরা মিছিল করলাম। সাহস দেখলাম। এতগুলো রাজনৈতিক দল আছে। কে কী সাহস দেখাল? আমরা তো মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার সব ধর্মীয় স্থানে গিয়েছি। একটা মন্দির ভিজিট করলেই হয়ে য়ায় নাকি? উল্লেখ্য, ভারতজোড়ে ন্যায় যাত্রার সময় সোমবার অসমের বাতদ্রব থান নামে একটি মন্দিরে যান রাহুল গান্ধী। তবে পুলিশ রাহুলকে আটকে দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মতো দুপুর ৩টে পর্যন্ত কারোর মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি নেই। এরপরই মন্দিরের বাইরে রাহুল সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব ধর্নায় বসে পড়েন।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৪
রাজনীতি

কংগ্রেস-সিপিএমে হঠাৎ ছন্দপতন, কি বললেন সেলিম? পাল্টা অধীর

রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাতে হাতে মিলিয়েছে কংগ্রেস ও সিপিআইএম। মাঝে মধ্যেই একমঞ্চে দেখা যায় মহঃ সেলিম ও অধীর চৌধুরীকে। আগামী লোকসভাতেও বঙ্গে আসন সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছে এই দুই বিপরীত আদর্শের দল। বাংলায় ত্রিমুখী লড়াইয়ের আঁচ মধ্য-গগনে। এই অবস্থায় হাত ও কাস্তে-হাতুড়ির সমঝোতায় যেন আচমকা ছন্দপতন! কংগ্রেসকে বড় হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক। জবাবে বুঝে নেওয়ার বার্তা দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।এদিন মুর্শিদাবাদের রানিনগরে দলীয় সভায় তৃণমূলকে নিশানা করেন সেলিম। সেই সূত্রেই উঠে আসে ২০১১ সালে রাজ্যে পালা বদলের প্রসঙ্গ, সম্প্রতি ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের বিষয়টি। সেই সূত্রেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন মহঃ সেলিম। বলেন, আমরা বলছি চোর ধর, জেল ভরো। আর বড় চোর কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর পায়ে গিয়ে পড়ে বলছে দাদা আমায় বাঁচাও। কংগ্রেসকে বুঝতে হবে যে, ২০১১ সালে ওরা সমর্থন না করলে তৃণমূল ক্ষমতায় আসত না। আর ক্ষমতায় এসেই তৃণমূল ছমাসের মধ্যে কংগ্রেসকে লাথি মেরেছে। কেউ দেখে শেখে, কেই ঠেকে শেখে।অর্থাৎ সেলিমের ইঙ্গিতেই স্পষ্ট যে, বাংলায় বিরোধিতা করলেও কংগ্রেস হাইকমান্ড ইন্ডিয়া জোটের স্বার্থে তৃণমূলে নরম, তা মেনে নিতে পারছে না কাস্তে-হাতুড়ির নেতারা। আর সেটাই স্পষ্ট করে দিচ্ছেন সেলিমরা।জবাব দিয়েছেন অধীর চৌধুরী। আমরা যা বোঝার বুঝেছি। কিন্তু কেউ কারোর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তো আমরা তো তাঁকে তাড়াতে পারব না। অর্থাৎ, সেলিমের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র শমিক ভট্টাচার্য বলেছেন, এটা ওদের ব্যাপার, কিন্তু, ওরা সকলেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করে তৃণমূলকেই বকলমে সমর্থন করছেন।তৃণমূলের রাজ্য। সভার সাংসদ শান্তনু সেন বলেছেন, ওরা এসবই করবে। তৃণমূল নিজের যোগ্যতা ফের প্রমাণ করে দেখাবে। আর কংগ্রেস, সিপিএমের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
রাজ্য

জয়নগরের তৃণমূল নেতা খুন, নদিয়া থেকে গ্রেফতার সিপিএম নেতা, পুলিশের জালে আরও ৪

জয়নগরের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের অভিযোগে নদিয়া গ্রেফতার করা হল সিপিএম নেতা আনিসুর রহমান লস্করকে। গাড়ি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন আনিসুর। শেষপর্যন্ত মোবাইল ট্র্যাক করে ঘটনার ৩ দিন পরে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে পুলিশ। এছাড়া আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে তাঁদের নাম, পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।সইফুদ্দিন লস্করকে খুনে সিপিএম নেতা আনিসুর রহমানই মূল চক্রী বলে মনে করছে পুলিশ। নিহত তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে নাম ছিল এলাকায় সিপিএম নেতা বলে পরিচিত আনিসুরের।পুলিশ সূত্রে খবর, সইফুদ্দিন খুনের পর থেকেই পলাতক ছিলেন সিপিএম নেতা আনিসুর। বন্ধ ছিল তাঁর মোবাইলও। সইফুদ্দিন খুনে জড়িত সন্দেহে গত মঙ্গলবার ভোরে গণপিটুনিতে প্রাণ যায় সাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির। গ্রেফতার করা হয় শাহরুল শেখ নামে আরেক অভিযুক্তকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আটকও করা হয় বেশ কয়েকজনকে। তাদের জেরা করেই সইফুদ্দিন খুনে আনিসুর যোগের কথা জানতে পারে পুলিশ।তদন্তের স্বার্থে পুলিশ দলুয়াখাঁকির আনিসুর রহমান লস্করের খোঁজ শুরু করে। বাড়ি সহ সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি চালালেও অনুসুরের খো্জ মেলেনি। তার আগেই পালিয়ে যান আনিসুর। ফলে অভিযুক্তের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করা শুরু করে পুলিশ। সেই মত নানা জায়গায় হানা দিলেও কোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষপর্ষন্ত নদিয়ার রানাঘাটে আনিসুরের মোবাইল ফোনের লোকেশন দেখে সেখানে যায়। ওখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তবে আনিসুরকে দলের নেতা বলে মানতে অস্বীকার করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আনিসুরের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। সে আমাদের সমর্থক হতে পারে। আসলে পুলিশ তৃণমূলের নেতা খুনে যে কোনও উপায়ে বিরোধী সিপিএমকে জড়াতে মরিয়া। তাই আততায়ীকে ধরে এখন আমাদের দলের নেতা বলে দেওয়া হচ্ছে। আবার বলা হচ্ছে উনি নাকি কর্মী। আসলে পুরোটাই সাজানো গল্প। তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, আইন আইনের পথে চলবে। সিপিএম যে ধোয়া তুলসী পাতা নয় এই গ্রেফতারি থেকে তা প্রমাণ হয়ে গেল। আসলে এই সন্ত্রাস, খুনের রাজনীতিই সিপিএমের সংস্কৃতি।ভোরবেলা নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় বামনগাছি অঞ্চলের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে গুলি করে খুন করা হয় মঙ্গলবার ভোরে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। এই খুনের খবর জানাজানি হতেই দলুয়াখাঁকি, লস্করপাড়ার একাধিক বাড়িতে পরপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে জয়নগরের দলুয়াখাঁকি গ্রাম। গ্রাম ছাড়া হয় বহু পরিবার।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে অশান্তি: অতর্কিতে চলল গুলি, চোপড়ায় প্রাণ ঝরল সিপিএম প্রার্থীর

পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনেও অশান্তি চরমে। গুলিতে প্রাণ ঝরল। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক সিপিএম প্রার্থীর। বৃহস্পতিবার মিছিল করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাচ্ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী ও কর্মীরা। জানা গিয়েছে, বিডিও অফিসে ঢোকার বেশ কিছুটা আগেই মিছিল লক্ষ্য করে গুলি চলে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বাম ও কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন প্রার্থী ও কর্মী। তাঁদের মধ্যেই এক সিপিএম প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুলিচালনার অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।গত কয়েক দিন ধরেই মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছে ভাঙড়, ক্যানিং। বোমার ফুলঝুড়ি দেখেছে রাজ্যবাসী। চোপড়াতেও আশঙ্কা ছিলই। এদিন পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এদিন একসঙ্গে মিছিল করে চোপড়া বিডিও অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী এবং কর্মীরা। রাস্তা দিয়ে বেশ কিছুটা যাওয়ার পর বিডিও অফিসের বেশ কিছুটা আগে ঘটে যায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড। অতর্কিতে ছুটে আসা গুলিতে মৃত্যু হয় একজনের, বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলেছে। রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কয়েকজন। চিৎকার-চেঁচামেচিতে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। গোটা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। ঘটনার সময় কোনও পুলিশ ছিল না। এই পরিস্থিতিতেও মনোনয়ন জমা দিতে বদ্ধপরিকর বাম-কংগ্রেস।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজ্য

নির্বাচন এলেই রাম, বাম ও শ্যাম এক, চলে আদানপ্রদাণ থেকে কিছু লেনদেনঃ মমতা

নন্দকুমারে সমবায় নির্বাচনে রাম-বাম জোট তৃণমূলকে পরাস্ত করার প্রতিক্রিয়া দিলেন এবার স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে বুধবার কৃষ্ণনগরে জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক যোদে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিরদ্ধে সুর চড়ান। গুরুতর অভিযোগ আনেন তিন দলের বিরুদ্ধেই। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা নিয়েও সরব হয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি তুমি বড় বড় কথা বলছ। তার দুই সাগরেদ সিপিএম ও কংগ্রেস। কিচ্ছু করে না। নির্বাচনের সময় রাম, বাম শ্যাম মানে জগাই, মাধাই ও গদাই এক হয়ে যায়। নির্বাচনের সময় দেখবেন তিনটে পার্টি এক হয়ে যায়। কানাঘুষো থেকে নানারকম আদানপ্রদান, রাজনীতির সঙ্গে আরও কিছু লেনদেন চলে। এই সত্যটা প্রকাশ করে দিন।এই সভাতে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের জন্য মোদি সরকারের অর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ তোলেন তৃণমূলনেত্রী। তিনি বলেন, ১০০ দিনের কাজ করে গরীব মানুষগুলো। একবছর ধরে টাকা দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। দেড় কোটি লোক বঞ্চিত ১০০ দিনের কাজে যুক্ত। কেন্দ্রের বঞ্চনা সত্বেও ২৮ লক্ষ জব কার্ড হোল্ডারদের কাজ দিয়েছি। ৯০ দিন হয়ে গিয়েছে। ৫ বছর টানা ১০০দিনের কাজে প্রথম হয়েছি। গ্রামীণ সড়ক যোজনা, আবাস যোজনায়ও প্রথম। তাই এই বঞ্চনা। আমাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না।

নভেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েতের আগে রাজ্যে বোমা-গুলি উদ্ধার, তোপ বিজেপি-সিপিএমের

পঞ্চায়েত নির্বাচন এগিয়ে আসছে রাজ্যের নানা প্রান্তে অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। এই অস্ত্র-বোমা-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় তোপ দেগেছে বিরোধী দলগুলি। এর আগে উত্তর ২৪ পরগনার শাসনের তৃণমূল নেতা সুকুল আলির বাড়ি থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, খোদ কলকাতার এপিসি রোড থেকেও অস্ত্র মিলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্যই এই বোমা-গুলির কারবার চলছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ।বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ আর নেই। তাদের থেকে মানুষ এখন শতযোজন দূরে। এখন পঞ্চায়েত ভোট জিততে গেলে তৃণমূলের দরকার বোমা ও গুলি। সেই কারবারই চলছে। এখান থেকে সারা ভারতের সন্ত্রাসবাদী কাজ চলছে। এখানকার সরকারের আশীর্বাদ আছে তাদের মাথায়। সিপিএম নেতা প্রাক্তন সাংসদ শমীক লাহিড়ী বলেন, এই রাজ্যটাকে অস্ত্রের কারবার ও সমাজ বিরোধীদের স্বর্গরাজ্য় বানানো হয়েছে। তৃণমূল সাংসদ প্রকাশ্যে বোমা তৈরির ফর্মূলার কথা বলছে। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করছে না। এখন সমাজবিরোধীরা সরকার চালাচ্ছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২২
রাজ্য

বামেদের লুট করা কলার প্রতিদানে নিজে বাগানের কলা দিয়ে গরীব ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল নেতা

বুধবার ৩১ আগস্ট বামেদের আইন অমান্য আন্দোলনের দিন কার্জনগেট এলাকার দোকান থেকে ফল লুটের অভিযোগ করেন স্থানীয় ফল ব্যবসায়ীরা। তাঁরা অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা তাঁদের ফলের দোকান থেকে কলা লুট করে চলে যায়। শনিবার কলার কাঁদি দিয়ে ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ালো শাসকদল। ৩১ আগষ্ট বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি ছিল বর্ধমানের জেলা শাসকের দপ্তরে সামনে। শহরের স্টেশন থেকে ও বড়নীলপুর মোড় থেকে দুটি মিছিল গিয়ে কার্জনগেট চত্বরে জমায়েত হয়। তারপর শুরু হয় আইন অমান্য কর্মসূচি। সেদিনের কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। পুলিশ প্রশাসন আগে থেকেই সর্তকতা হিসেবে জেলাশাসকের অফিসের আগে তিনস্তর ব্যারিকেড তৈরি করে। বাম কর্মী সমর্থকরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে। ছোঁড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। পরিস্থিতি কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পুলিশ ও বামকর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী জখম হয়। অভিযোগ ভাঙা হয় পুলিশের গাড়ি। বিধায়ক সহায়তা কেন্দ্রেও হামলার অভিযোগ করা হয়। তখন কার্জনগেট চত্বরে ধুন্ধুমার কাণ্ড চলছে। এই এত ঝামেলা অশান্তির মধ্যে দেখা যায় কয়েকজন যুবক কার্জনগেটের ডানপাশে একটি দোকানে ও ফুটপাতের একটি কলা বিক্রেতার কাছ থেকে কলা লুট করছে। পাশাপাশি আরো কয়েকজনকে দেখা যায় দোকাল লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে। দোকানের মালিক অভয় সাহা বলেন, আমি বাধা দেওয়ায় আমার দোকান থেকে বেশী কলা লুট করতে পারে নি। তবে ফুটপাতের ব্যবসা করা ধনেশ্বর সাউ কাঁদানে গ্যাস ছোড়ায় ভয়ে পালিয়ে যায়। সেই সুযোগে কলা লুট করে।শনিবার বর্ধমানের কার্জনগেট চত্বরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ সভা হয়। সভা শেষে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অপার্থিব ইসলামের নেতৃত্ব ক্ষতিগ্রস্ত দুই ব্যবসায়ীকে তিন কাঁদি কলা দেওয়া হয়। অপার্থিব ইসলাম বলেন, আমাদের নেত্রী শিখিয়েছেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সিপিএমের কর্মীরা গরিব মানুষের দোকান থেকে কলা লুট করেছিল তিন দিন আগে। আজ আমার কলা বাগানের তিন কাঁদি কলা ওই দোকানগুলিতে দেওয়া হল। ব্যবসায়ী অভয় সাহা বলেন, যেভাবে তৃণমূল আমাদের পাশে দাঁড়ালো তাতে আমরা খুব খুশী। কলা লুটের পর ফুটপাতের অবাঙালি ব্যবসায়ী ধনেশ্বর সাউ খুব দুঃখ পেয়েছিলেন।এদিন তিনি খুব খুশী হন।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২২
রাজনীতি

রাজ্যের মন্ত্রীদের সামনেই সিপিএমকে ভয়ঙ্কর হুঁশিয়ারি বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়কের

বর্ধমানে তৃণমূলের সভা থেকে সিপিএমকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক খোকন দাস। শনিবার বিকেলে বর্ধমানের কার্জনগেট চত্বরে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি, ইডি ও সিবিআইয়ের আগ্রাসী মনোভাব ও সিপিএমের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী, প্রদীপ মজুমদার ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।গত ৩১ আগষ্ট বামেদের আইন অমান্য কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে বর্ধমানের কার্জনগেট চত্বরে। সেখানে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা করে বামকর্মী সমর্থকরা।এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলে। জলকামান ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে বাম কর্মী সমর্থকদের সরাতে গেলে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহেরা নেয়। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী জখম হয়। তারপর দুদিনে বর্ধমানের নীলপুর ও দেওয়ান দীঘি এলাকায় দুটি সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ ওঠে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।এদিনের সভায় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস বলেন, আমাদের নেত্রী শান্তির প্রতীক। কলকাতা থেকে আমাদের নেতা অভিষেক ব্যানার্জী শান্ত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন, কোন গণ্ডগোল ও অশান্তি করতে মানা করেছেন। বাংলা অশান্তি চায় না। তা নাহলে বর্ধমান শহরের সিপিএমের সব পার্টি অফিস গুড়িয়ে দিতে পাঁচ মিনিট সময় লাগতো না। সিপিএম নতুন খেলা শুরু করেছে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম রাজ্যের যেখানে যাচ্ছেন সেখানে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছেন। ৩১ আগষ্ট জেল ভরো আন্দোলনের নামে বর্ধমানে ভাঙচুর করে সিপিএম। গোটা শহরে একটা ইটের টুকরো পাবেন না। কিন্তু সেদিন বস্তা বস্তা ইটের ঢিল ছোড়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের প্রকল্পগুলির ছবি কার্জনগেট চত্বরে টাঙানো হয়েছিল পৌরসভার পক্ষ থেকে। কিন্তু সিপিএম উন্নয়ন চায় না। ৩৪ বছরে রাজ্যে কোন উন্নয়ন করে নি।অন্যদিকে মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, হাঁটা শুরু করলে সিপিএমকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। সিপিএমের আমলে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে বেছে বেছে সিপিএমের লোকেদের।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

নন্দীগ্রামে সমবায় সমিতির ভোটে বিজেপি ধরাশায়ী, বিপুল জয়লাভ তৃনমূলের

রবিবার ছিল নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের বিরুলিয়া গ্রাম-পঞ্চায়েতের হানুভুঁইয়া কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতির নির্বাচন। মোট ৫২ টি আসনের মধ্যে মনোনয়ন পর্বে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১টি আসনে জিতেছিলেন তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থী। বাকি ৫১টি আসনের ভোটে তৃণমূল সমর্থিত ৫১ জন প্রার্থী ছাড়াও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিজেপি সমর্থিত ৪০ জন এবং সিপিএম সমর্থিত ২৯ জন প্রার্থী।নির্বাচনে ২৫০০ সদস্য ভোটারের মধ্যে ৯০ শতাংশ ভোটাধিকার প্র্যোগ করেন। নির্বাচনকে ঘিরে সকাল থেকেই ছিল রীতিমত টানটান উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ। ভোট শেষ হলে গণনায় দেখা যায় ৫০ টি আসনে তৃণমূল সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। আর একটি আসনে জয়ী বাম সমর্থিত প্রার্থী।নন্দীগ্রাম ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মহাদেব বাগ বলেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে বিরুলিয়া অঞ্চলে ১০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। বিজেপির হাত ধরার অভিজ্ঞতা হয়েছে মানুষের। তাই সমবায়ের উন্নয়নের জন্য তৃণমূলেই আস্থা রেখেছেন এলাকার মানুষজন। তাঁরা স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে ভোট দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসকে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রামে কেন এই ছবি, তার উত্তর খুঁজতে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে বিজেপি-র অন্দরেই। যদিও ব্যর্থতা আড়ালে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন ব্যানার্জির দাবি, চাপা সন্ত্রাসের মুখে ভোট দিয়েছেন মানুষ তাই এই ফল।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

সিপিএম বিজেপির বি-টিম,' বাংলা নয়, দিল্লি দেখুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি মমতার

এদিন দলের নয়া রাজ্য কমিটির প্রথম বৈঠক হয় তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন ভবনে। এদিকে দুদিনের বাংলা সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জনসভায় নিশানা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহকে কড়া জবাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদের মানুষের পাশে থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মনুষ পরিষেবা না পেলে কেন পাচ্ছে না দেখতে হবে। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। ভুল করলে খারাপ লাগলে ক্ষমাপ্রার্থী। ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন। এদিন অমিত শাহ তাঁর বক্তব্যে টানা আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।কাটমানি, অত্যাচার নিয়ে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী। মমতা বলেন, কাটমানির সংজ্ঞা কী? গ্যাস, ডিজেলের দাম বাড়ছে। সেই টাকাটা কোথায় যাচ্ছে? পাশাপাশি এদিন তৃণমূল নেত্রী বলেন, সিপিএম বিজেপির বি টিম। ওরা বিজেপির লিংক।এরাজ্যে অশান্তি নিয়ে অমিত শাহর অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, আগে নিজের দিকে তাকান। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিল্লি দেখুন, বাংলার দিকে তাকাতে হবে না। জাহাঙ্গিরপুরী, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের দিকে তাকান। রাজ্যে কী ভাবে অশান্তি লাগে তাতে উৎসাহ দিচ্ছেন। আমাকে গাইড করতে হবে না। দেশকে ভাঙতে চাইছে আর ঘরে বসে সিবিআই, ইডি, আয়কর দফতর ছাড়া কোনও কাজ করেছেন না। সিএএ লাগু নিয়ে মমতার হুঙ্কার, বাংলায় সিএএ চালু হবে না। কাদের ভোটে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হয়েছেন? তাঁরা কী দেশের নাগরিক নয়? প্রশ্ন তোলেন মমতা

মে ০৫, ২০২২
রাজনীতি

অনুব্রতর আইনজীবীর ইমেইল সিবিআইকে, হাজির হলেই ভয় কেটে যাবে, কটাক্ষ সুকান্তর

বারংবার সিবিআই তলব করলেও এবারও হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল। জানা গিয়েছে, বিকেলের দিকে ইমেইল করে অনুব্রত মন্ডলের আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল হাঁটতে পারছেন না। তাঁকে চিকিৎসকরা ৪ সপ্তাহ সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। তাই আপাতত তিনি সিবিআই দফতরে হাজির হতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রত সিবিআইতে হাজিরা না দেওয়ায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি ও সিপিএম। এদিন জোড়া নোটিশ দিয়েছে সিবিআই। একদিকে গরুপাচার কাণ্ডে বিকেলের মধ্যে হাজিরা দিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আর একটি নোটিশে সিবিআই বলেছে ভোটপরবর্তী হিংসার মামলায় আগামিকাল রবিবার সকাল ১১টার মধ্যে তাদের দফতরে হাজির হতে। নোটিশ দিতে চিনারপার্কে অনুব্রত মন্ডলের ফ্লাটে যান সিবিআই। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই দফতরে হাজির না হওয়ায় কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন,ওনার সিবিআই দফতরে যাওয়া উচিত। কিন্তু উনি বিভিন্ন অজুহাতে উডবার্নে ভর্তি হচ্ছেন। তবে ওনার রোগ নিয়ে লোকে যা বলছে তাতে মনে হয় ওনারও সম্মানে লাগে। এত আছিলা না করে ওনার সিবিআই-এর সম্মুখীন হওয়া দরকার। উনি কত পেয়েছেন, অন্যরা কত পেয়েছে সব বলে দেওয়াই উচিত। একবার গেলেই তো হল। একবার গেলে ওনার ভয় কেটে যাবে, তখন বারাবার যেতে ইচ্ছে করবে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, কংগ্রেসের বরিষ্ঠ নেতা পি চিদাম্বরমকে ধরতে পাঁচিল টপকে ঢুকেছিল সিবিআই। এখন চিনারপার্কে যেতে পারছে না সিবিআই। এসবই নাটক।এনিয়ে গরুপাচার কাণ্ডে ৬ বার সিবিআইয়ের তলবে হাজির হলেন না অনুব্রত মন্ডল। সঙ্গে যোগ হয়েছে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়ে দিয়েছেন, রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে সিবিআই তলব করছে। গতকালই হাসপাতাল থেকে ছেড়েছে অনুব্রত মন্ডলকে। তিনি কলকাতায় চিনারপার্কের ফ্লাটেই তো আছেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
রাজ্য

শালবনিতে আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ

শালবনিতে আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ। অভিযোগ, ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় তাঁর গাড়িতে। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাও। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একজনকে আটক করেছে পুলিশ। ভোটের সকাল থেকেই শালবনির বিভিন্ন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে যান সুশান্ত ঘোষ। একাধিক বুথে ঢুকে সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বারবার অভিযোগ করেছেন তাঁদের পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়ান শালবনির সিপিএম প্রার্থী। অভিযোগ, এরপরই পূর্বপাড়া এলাকায় আক্রান্ত হন সুশান্ত ঘোষ। তাঁর গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। বৃষ্টির মতো তাঁর দিকে উড়ে আসে ইট। ছোঁড়া হয় জুতোও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি আয়ত্তে আনার চেষ্টা করলেও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে শালবনিতে।

মার্চ ২৭, ২০২১
কলকাতা

বামেদের ব্রিগেডে হাজির থাকতে পারেন ভাইজান

চলতি মাসের ২৮-এ বামেদের ব্রিগেড সমাবেশের আগেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে আসন সমঝোতা হয়ে যেতে পারে। সেই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে দিলেন আইএসএফের কান্ডারী পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি ওরফে ভাইজান। মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে দলীয় সভায় ভাইজান বলেন, আমার আশা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসন সমঝোতা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ব্রিগেড সমাবেশে ভিড় উপচে পড়বে বলেও তিনি জানিয়ে দেন।আটচল্লিশ ঘণ্টার নোটিসে মঙ্গলবার ধর্মতলায় সভা ডেকেছিল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্ট। আব্বাস সিদ্দিকি শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি মিছিলের নেতৃত্ব দেন। অপর মিছিলটি আসে হাওড়া স্টেশন থেকে। ছোট জায়গায় সভার অনুমতি মেলায় উষ্মাপ্রকাশ করেছেন ভাইজান। তাঁর খেদোক্তি, ভোট নেওয়ার সময় আমরা। এদিকে একটা বড় জায়গা পাওয়া যায় না সভা করার জন্য। একটা দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।এদিনের সভায় ভাইজান জানিয়ে দিয়েছেন টাকা রোজগারের জন্য তিনি রাজনীতি করতে আসেননি। তাছাড়া কলকাতায় সম্পত্তি করতেও তিনি রাজনীতি করছেন না। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, ভাইপোকে প্রতিষ্ঠা করতেও রাজনীতিতে আসিনি।কেন্দ্রীয় কৃষি বিল, পেট্রল-ডিজেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিন সভা করে আইএসএফ। ওয়াই চ্যানেলের সভা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারকেই তোপ দেগেছেন আব্বাস সিদ্দিকি। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্টের সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা করা নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে বাম-কংগ্রেসের। সেই জোট হলে বাংলার ভোট ত্রিমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই আসন সমঝোতা এখনও স্পষ্ট নয়।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal